Mi Band 4 এলো রঙ্গিন এমোলেড ডিসপ্লে আর NFC নিয়ে

বেশ কিছুদিন আগে থেকেই মি ব্যান্ড ৪ এর ডিজাইন ও স্পেসিফিকেশন লিক হয়ে আসছিলো। অবশেষে আজকে মোটামুটি সব লিক সত্যি করে দিয়ে চীনে অফিশিয়ালি লঞ্চ করা হলো মি ব্যান্ড ৪। এটা হলো তাদের বহুল প্রচলিত মি ব্যান্ড সিরিজের সর্বশেষ সংযোজন। এর আগের ভার্সন মি ব্যান্ড ৩ গ্রাহকদের চাহিদার শীর্ষে ছিল।

মি ব্যান্ড ৪ এ থাকছে ০.৯৫ ইঞ্চি সাইজের রঙ্গিন এমোলেড ডিসপ্লে, যেখানে তাদের আগের ভার্সনে ছিল সাদা একরঙা ডিসপ্লে। এটার সব ফিচার গ্রাহকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই যুক্ত করা হয়েছে। তবে বেশ কিছু নতুন ফিচার নিয়ে আসলেও ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজে তেমন কোন পরিবর্তন আনা হয়নি।

এর ডিসপ্লেটিকে প্রটেক্ট করছে ২.৫ ডি স্ক্র্যাচ রেজিস্ট্যান্ট গ্লাস। ডিসপ্লেটি কালার প্যানেল হওয়াতে এটাতে কন্টেন্ট আগের চেয়ে ভাল দেখা যাবে। সেই সাথে ডেভেলপাররাও এর ফিচার যুক্ত করতে গিয়ে আরো বেশি সুযোগ পাচ্ছেন।

একই কারণে এটাতে অন্যান্য কালার ডিসপ্লেওয়ালা ব্যান্ডগুলোর মতো অনেক থিম বা ওয়াচফেস ব্যবহারের সুযোগ থাকছে। শাওমি তাদের ডেমো তে বেশকিছু থিম দেখালেও অচিরেই আরো অনেক থিম যুক্ত হবে। তবে এতে থার্ড পার্টি ওয়াচফেইস ব্যবহারের সুযোগ থাকবে কি না সে ব্যাপারে কিছু জানা যায় নি।

এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য ফিচার হলো এআই ভয়েস এসিস্টেন্ট ফিচার। শাওমির নিজস্ব শাও এআই ভয়েস এসিস্টেন্ট সেবার মাধ্যমে এই ব্যান্ড থেকে বিভিন্ন  আইওটি ডিভাইস কন্ট্রোল করা যাবে। এতে এখন থেকে ফোনে বাজতে থাকা মিউজিক কন্ট্রোল করা যাবে। এটা নিঃসন্দেহে একটি চমৎকার ফিচার যা মি ব্যান্ড ৩ তে ছিল না।

এতে আগের মতোই হার্ট রেট সেন্সর থাকছে তবে এখন এটি আরো উন্নত। সেই সাথে এতে ৬ এক্সিস সেন্সর নিয়ে এসেছে যা আগের চেয়ে অনেক ভালো মোশন ও এক্টিভিটি ডিটেক্ট করতে পারবে।

আরেকটি ব্যাপার হলো এতে থাকা চার্জিং পোর্টটির অবস্থানে একটু পরিবর্তন আনা হয়েছে যেন চার্জ দেয়ার সময় স্ট্র্যাপ থেকে ক্যাপসুলটি খুলতে না হয়। পাশাপাশি এখন এর ওয়াটার রেজিস্টেন্ট ক্যাপাসিটি ও বাড়িয়ে ৫০ মিটারে নেয়া হয়েছে। যারা ডাইভিং পছন্দ করেন তাদের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে এই ফিচারটি।

এর এনএফসি সাপোর্টেড ভ্যারিয়েন্টটিতে এনএফসি ব্যবহার করে আলিপে বা এই ধরনের সার্ভিসে খুব সহজেই একটি স্পর্শের মাধ্যমেই পেমেন্ট করা যাবে। যাদের এনএফসি তেমন দরকার নেই তারা চাইলে কমদামে এনএফসি ছাড়া ভ্যারিয়েন্টটি নিতে পারেন।

মি ব্যান্ড ৪ রেগুলার এনএফসি ছাড়া ভার্সনটির দাম ধরা হয়েছে ১৬৯ ইউয়ান যা বাংলাদেশী টাকায় ২০০০ টাকার মতো। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত দামী এনএফসি যুক্ত ভ্যারিয়েন্টটির দাম ২২৯ ইউয়ান যা বাংলাদেশী টাকায় ২৮০০ টাকার মতো। ৬টি রঙ এর স্ট্র্যাপ এর সাথে ব্যান্ডটি পাওয়া যাবে এই মাসের ১৪ তারিখ থেকে।

মি ব্যান্ড ৪ এর এভেঞ্জারস এডিশন নামে একটি লিমিটেড এডিশন ও নিয়ে আসা হচ্ছে যাতে এভেঞ্জারস থিমযুক্ত ওয়াচফেস আর স্ট্র্যাপ থাকবে। লিমিটেড এডিশন হওয়াতে এর জন্য এভেঞ্জারস ফ্যানদের গুনতে হবে ৩৪৯ ইউয়ান বা ৪২০০ টাকার মতো। আপাতত শুধু চীনের বাজারেই পাওয়া যাবে ব্যান্ডগুলো।

[★★] আপনিও একটি টেকবাজ একাউন্ট খুলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে পোস্ট করুন! হয়ে উঠুন একজন দুর্দান্ত টেকবাজ! এখানে ক্লিক করে নতুন একাউন্ট তৈরি করুন।

ফেসবুকে যুক্ত হোন!

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য পেতে ইমেইলে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.