অবশেষে পিক্সেলে আসছে একের অধিক ক্যামেরা

সিঙ্গেল ফোন দিয়ে চমৎকার পোর্ট্রেট ফটোর জন্য গুগলের পিক্সেল ফোনের ধারেকাছেও নেই অন্য কোম্পানিগুলো। প্রতিটি পিক্সেলই ছবি তোলার ক্ষমতায় অন্য সব ফ্ল্যাগশিপকে হারিয়ে আসছে। পিক্সেল ৪ ও যে এর ব্যতিক্রম হবে না সেটা ধরে নেয়াটা দোষের কিছু নয়। তবে এবার যেন গুগল তাদের সিঙ্গেল ক্যামেরার প্রতি কনফিডেন্স হারিয়েই ফেলেছে। অবশ্য সেটাই স্বাভাবিক। কারণ গ্রাহকেরা এখন তাদের মোবাই ফোনেই আলট্রাওয়াইড, জুম সহ সব ধরনের লেন্স ই চায়। সফটওয়্যার দিয়ে আর যাই হোক, ফিজিক্যাল লেন্স এর অভাব পূরণ করা যায় না।

তাই এবার নতুন পিক্সেল ৪ ফোনে আসছে একের অধিক ক্যামেরা সেটআপ। অসংখ্য লিক এর পর গুগল নিজেই ফোনটির পিছনের দিকের একটি ছবি টিজার হিসেবে প্রকাশ করেছে। অবশ্য এটা সত্যিকারের ফোনের ছবি না, থ্রিডি রেন্ডার মাত্র। সে যাই হোক, এখন এটি নিশ্চিত যে গুগলও এখন অন্যদের মতো ক্যামেরার সংখ্যা দিয়ে প্রতিযোগিতা করতে আসছে। রেন্ডারটিতে দেখা যায় পিছনের দিকে একটি বিশাল ক্যামেরা বাম্পে দুটি ক্যামেরা লেন্স, একটি ডেপথ সেন্সর বা লেজার ফোকাসের ছিদ্র আর সেই সাথে একটি এলইডি ফ্ল্যাশ।

সাধারণত বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের ফ্ল্যাগশিপ ফোন এর ডিটেইলস লিক করতে চায় না। তবে গুগল এবার একটু অন্য পথেই হাঁটছে বলা যায়। মেড বাই গুগল নামক তাদের অফিশিয়াল টুইটার পেইজ থেকে এক টুইটে তারা ছবিটি প্রকাশ করে। হ্যাশট্যাগে আবার পিক্সেল ৪ কথাটিও লিখে দেয়।

গুগল সাধারণত তাদের পিক্সেল ফোন অক্টোবরে রিলিজ করে। তাই বলা যায় ফোন রিলিজের বেশ অনেকদিন বাকি। এরই মাঝে 9to5Google নামক পোর্টালটি একটি ছবি প্রকাশ করেছে যেখানে এক ব্যক্তি পিক্সেল ৪ ফোনটি হাতে নিয়ে পার্কে বসে আছে। ফোনটির ডিজাইন হুবহু গুগলের প্রকাশ করা রেণ্ডারটির মতই। আর তাই নিশ্চিতভাবেই বলা যায় গুগল এবার মাল্টি ক্যামেরা ফোন নিয়ে আমাদেরকে হয়তো মোবাইল ক্যামেরার জগতে নতুন কোন মাত্রা সৃষ্টি করে দেখাতে যাচ্ছে।

[★★] আপনিও একটি টেকবাজ একাউন্ট খুলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে পোস্ট করুন! হয়ে উঠুন একজন দুর্দান্ত টেকবাজ! এখানে ক্লিক করে নতুন একাউন্ট তৈরি করুন।

ফেসবুকে যুক্ত হোন!

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য পেতে ইমেইলে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.